hsc

মদন মোহন তর্কালঙ্কার

একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি - বাংলা - সাহিত্যপাঠ | NCTB BOOK
755

পুরাতন রীতির শেষ কবি, হিন্দু কলেজ ও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক, ভারতীয় উপমহাদেশের পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব, হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রথার অন্যতম উদ্যোক্তা, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মদনমোহন তর্কালঙ্কার লেখ্য বাংলা ভাষার বিকাশে বিশেষ অবদান রেখে গেছেন।

  • মদনমোহন তর্কালঙ্কার ১৮১৭ সালে নদীয়ার বিল্বগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সংস্কৃত কলেজের সহপাঠী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহযোগিতায় কলকাতায় 'সংস্কৃত যন্ত্র' (১৮৪৭) নামক ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এখানেই ভারতচন্দ্রের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য প্রথম মুদ্রিত হয়।
  • তিনি ১৮৫০ সালে 'সর্ব্ব-শুভঙ্করী' নামক পত্রিকার দ্বিতীয় সংখ্যায় স্ত্রীশিক্ষার সমর্থনে দীর্ঘ প্রবন্ধ লিখে শিক্ষিত সমাজের প্রশংসাভাজন হন।কবি প্রতিভার জন্য সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপকগণ কর্তৃক 'কাব্যরত্নাকর' উপাধি লাভ করেন এবং পরে পাণ্ডিত্যের জন্য 'তর্কালঙ্কার' উপাধি পান।
  • তিনি ৯ মার্চ, ১৮৫৮ সালে কান্দীতে কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেন।

মদনমোহন তর্কালঙ্কারের সাহিত্যকর্মসমূহঃ

'শিশুশিক্ষা' (১ম খণ্ড ও ২য় খণ্ড- ১৮৪৯, ৩য় খণ্ড- ১৮৫০।) এভাবে 'বোধোদয়' নামে ৪র্থ খণ্ড রচনা করেন)। কলকাতা বেথুন কলেজ কর্তৃক 'হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়' (১৮৪৯)
প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি বিনা বেতনে ছাত্রীদের শিক্ষাদান ও শিশুপাঠ্য হিসেবে এ গ্রন্থটি রচনা করেন।

প্রবন্ধ: 'রসতরঙ্গিনী' (১৮৩৪), 'বাসবদত্তা' (১৮৩৬)।

বিখ্যাত পঙ্ক্তিঃ

  • পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল।
    কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল। (পাখি সব করে রব)
  • সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
    সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি। (আমার পণ)
  • লেখাপড়া করে যে,
    গাড়ী ঘোড়া চড়ে সে।
Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...